Project Combined Vegetable Farm

প্রকল্প - সম্মিলিত সবজি খামার
২৫,০০০ টাকা/ প্রতি ইউনিট | সর্বোচ্চ ০৫ ইউনিট বুকিং
ইনকাম (শরিয়া ভিত্তিক) | লভ্যাংশের ৪০% পর্যন্ত।

সময় - ১২ মাস বা ৩৬৫ দিন।
লোকেশন - সিরাজগঞ্জ ও কেরানিগঞ্জ।




INQUIRY NOW



ওভারভিউ

ইপল্লী তার ‘’শর্ট টার্ম - হাই রির্টান’’ এবং ‘‘লং টার্ম - হাই রির্টান’’ শরিয়াহ ভিত্তিক প্রকল্প সমূহের জন্য কার্যকরী মূলধন বাড়ানোর পরিকল্পনা, চিন্তা ও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ‘‘লং টার্ম - হাই রির্টান’’ প্রকল্প সমূহের মধ্যে একটি হচ্ছে হচ্ছে ‘‘ইপল্লী সম্মিলিত সবজি খামার প্রকল্প ’’


ইপল্লীর ব্যবসা বা প্রকল্প পরিচালিত হয় শরিয়াহ ভিত্তিতে, সেহেতু ইপল্লী এখানে উদ্যোক্তা হিসেবে এবং কাজে ব্যবস্থাপনায় প্রকল্পে মুদারিব ( যে পক্ষ ব্যবসা পরিচালনা করে ) হিসেবে এবং বিনিয়োগকারী সাহিব-আল-মাল ( যে পক্ষ মূলধন সরবরাহ করে ) হিসেবে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিনিয়োগকারীকে লাভ/লোকসানের সমান অংশিদার হতে হবে আর এর অনুপাত হবে ৪০:৬০ অর্থাৎ শরিয়াহ ভিত্তিতে বিনিয়োগকৃর্ত মূলধনের উপরে যে লাভ হবে, সেই লাভের ৪০% সহ মূলধন ফেরত পাবেন আর লোকসান হলে বিনিয়োগকারীকে লোকশানের ৪০% গ্রহন করতে হবে।


ইপল্লী সম্মিলিত সবজি খামার প্রকল্প মেয়াদ ১২ মাস বা ৩৬৫ দিন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ বা পূর্ণ হওয়ার পর ( শরিয়াহ ভিত্তিতে মুনাফা বন্টনের পদ্ধতি অনুযায়ি অনুপাত ৪০:৬০) অবশিষ্ট লাভ/লোকসান সহ মূলধন বিনিয়োগকারীকে বন্টন করা হবে ইনশাল্লাহ।


আমাদের দক্ষ কৃষকরা অভিজ্ঞ কৃষিবিদদের সহযোগিতায় আধুনিক চাষাবাদ প্রক্রিয়ায় সবজি চাষাবাদ করে আসছে । এছাড়াও ইপল্লী তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অভিজ্ঞ করে তুলেছে । প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃষকরা বিনিয়োগকারীর মূলধন রক্ষার্থে সর্বতোভাবে সচেষ্ট্য, আর আমাদের উদ্দেশ্য হল এই কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং তাদেরকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে ছোট প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা ।


যারা এই প্রকল্পে অংশ নিতে আগ্রহী ,তাদের জন্য, প্রতি ইউনিট- ২৫,০০০ টাকা, যার মধ্যে রয়েছে সবজির চারা/বীজ বীজ ক্রয়,  জমির রক্ষনাবেক্ষণ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ ইত্যাদি এবং ১২ মাস বা ৩৬৫ দিনের জন্য তত্ত্বাবধান।


বিনিয়োগকারী শরিয়াহ ভিত্তিতে লভ্যাংশ পাবেন সম্ভাব্য ৪০%, প্রকল্পের মেয়াদ শেষে ইপল্লী হতে বিনিয়োগকারীর ব্যাংক একাউন্টে মূলধনসহ লভ্যাংশ স্থানান্তর হবে ।

সচরাচর জিজ্ঞাসা



প্রশ্ন- ইপল্লীর এই প্রজেক্ট থেকে আমার কি লাভ হবে?

ইপল্লীর দক্ষ কৃষকগন আমাদের জমিতে চাষাবাদকৃর্ত সবজির অতি যত্নের সাথে চাষাবাদ করে থাকে এবং সবজি চাষাবাদের ক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টা রক্ষনাবেক্ষণ করে থাকে ,আপনার বিনিয়োগকৃত অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ ,এই প্রজেক্টে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনি উক্ত প্রোজেক্টের একজন গর্বিত মালিক ,প্রজেক্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়া মাত্রই আপনি আপনার মূলধন সহ লভ্যাংশ অতি দ্রুত ফেরত পাবেন চুক্তির শর্ত অনুযায়ী।





প্রশ্ন- ইপল্লী বিনিয়োগকারীদের কি অফার করে ?

শতভাগ হালাল ইনকাম এর নিশ্চয়তা প্রদান এবং ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান করে, প্রকল্পের মেয়াদ শেষে একটি সন্তোষজনক শরিয়াহ ভিত্তিতে মুনাফাসহ মূলধন ফেরত পাবার নিশ্চয়তা দিচ্ছে ।





প্রশ্ন- সবজি চুরি হয়ে গেলে অথবা ক্ষতি হলে কি হবে?

ইপল্লীর একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের দ্বারা সবজি চাষাবাদ মনিটরিং করা হচ্ছে, যেখানে অভিজ্ঞ কৃষিবিদ নিয়োজিত আছেন, সেক্ষেত্রে আপনার বিনিয়োগ ৯৯% ঝুঁকিমুক্ত তাছাড়া, ইপল্লীর একটি ইমারজেন্সি ফান্ড আছে, যা ক্ষতিগ্রস্ত কোন প্রকল্পের ক্ষতিপূরণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, এছাড়া অন্যান্য শর্তাবলী গ্রাহকের সাথে চুক্তি পত্রে উল্লেখ আছে ।





প্রশ্ন- আমি যে প্রকল্পে অর্থায়ন করেছি সেই প্রকল্পের প্রকল্পিত পণ্যসমূহ কিনতে পারি কি ?

না ।





প্রশ্ন- বাংলাদেশের বাইরে থেকে কি কেউ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারবে কি ?

হ্যাঁ, তবে বিনিয়োগকারীর বাংলাদেশে একটি বৈধ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে অথবা তার নমিনির ।





প্রশ্ন- আমি যে প্রকল্পে বিনিয়োগ করছি, সেই প্রকল্প স্ব-শরীরে পরিদর্শন করতে পারবো কি ?

হ্যাঁ, অবশ্যই পারবেন ।





প্রশ্ন- আমি এই প্রকল্পে এককালীন কত ইউনিট ক্রয় করতে পারিব ?

একজন পুরুষ/মহিলা তার নামে সর্বোচ্চ ৫ টি ইউনিট কিনতে পারবেন। কিন্তু আলোচনা স্বাপেক্ষে তা সম্প্রসারণ যোগ্য।





প্রশ্ন- কখন আমি আমার বিনিয়োগকৃত অর্থের উপার্জন পাব ?

ইপল্লী তার প্রকল্পের সময়সীমার মধ্যে পণ্য বিক্রি করে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে, অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে ঠিক প্রকল্পের সময়সীমার মধ্যে ক্রেতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মূলধন সহ লভ্যাংশ স্থানান্তরিত করে।




BOOK NOW